বাছাই পর্বের প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের সাথে ৭ রানে হারের পর পরবর্তী ২ ম্যাচে স্বাগতিক ওমান ও পাপুয়া নিউগিনির সাথে পরবর্তী ২ ম্যাচ জিতে সুপার ১২ তে খেলার সুযোগ পায় বাংলাদেশ।

কিন্তু সুপার ১২ এর প্রথম ম্যাচে শ্রীলংকার বিপক্ষে ৫ উইকেট এর হার দিয়ে শুরু করে যেন হার পিছনই ছাড়ছে না বাংলাদেশের।

বাংলাদেশকে নিয়ে এবারের আসরে প্রত্যাশা সকলের একটু বেশিই ছিলো। বিগত ১৪ বছরে মুল পর্বের একটা ম্যাচও জিততে পারেনি বাংলাদেশ।

তাহলে কি এটাই সত্যি বাংলাদেশ টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটে এখনো অনেক পিছিয়ে ? এ বিষয়ে বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদকে কোনো প্রশ্ন করা হলে তিনি টি-টুয়েন্টিতে ছোট দল বড় দল বলতে কিছু নেই বলেই এড়িয়ে গেছেন।

একে একে বাংলাদেশকে চার ম্যাচ হারের স্বাদ গ্রহণ করতে হলো। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে ৩য় ম্যাচে ৩ রানে হারের পর বাংলাদেশি সমর্থক এতো হতাশ হয়েছে যে তারা ৪র্থ ম্যাচের টিকিট কাটা সত্যেও খেলা দেখতে যায়নি।

এদিকে একের পর এক হার সত্যেও বাংলাদেশি ক্রিকেটার যেন তাদের মুখ সংযত রাখতেই পারছে না।

মাঠের খেলায় মুশি মনযোগী না থাকতে পারলেও তার আয়না কান্ডে মেতেছে দর্শক ও সমর্থক। রীতিমত তাকে নিয়ে শুরু করে দিয়েছে ট্রোল।



 

 

 

বিশেষজ্ঞদের মতে মাঠের খেলায় প্রচুর ঘাটতি রয়েছে বাংলাদেশের।তাদের শর্ট খেলায় আত্নবিশাসের অভাব ,পাওয়ার প্লেতে রান তোলার ঘাটতি রয়েছে যার কারনে ব্যাটসম্যানরা রান পাচ্ছে না ।

 

প্রথম অবস্থায় বাংলাদেশের এই আসরে ভালো কিছুর সপ্ন  দেখলেও বাস্তবিক অর্থে এখন সেটাও সম্ভব না।

সব কিছু হারিয়ে এখন বাংলাদেশের পাওয়ার সম্ভাবনা শুধু মুল পর্বে একটা ম্যাচ জিতা। সেটাও আবার কঠিন প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে।

বাংলাদেশের শেষ ম্যাচ দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে ৪ নভেম্বরের।

বাংলাদেশ কি পারবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নিজেদের প্রথম জয় তুলে নিয়ে বিশ্বকাপের আসর শেষ করতে?