ইংল্যান্ডকে
সেমিতে হারিয়ে ফাইনালে নিউজল্যান্ড। টসে জিতে নিউজল্যান্ড ফিল্ডিং এর সিধান্ত নেয়।
এদিকে জেসন রয়ের ইঞ্জরির কারণে না থাকা ইংল্যান্ডের জন্য ছিলো বড় ধাক্কা। জেসন রয়ের
অনুপস্থিতিতে
বাটলারের সাথে ব্যাটিংয়ে নামেন জনি ব্যারেস্ট্র । শুরুটা মোটামুটি ভালো হলেও শেষ পর্যন্ত
পাওয়ারপ্লে তে বাটলারের ও ব্যারেস্ট্রর উইকেট হারিয়ে খানিকটা বিপদে পড়ে টিম ইংল্যান্ড
।
সেখান থেকে
ডেবিড মালান ও মইন আলির ৬০ উবর্ধ পার্টনারশিপে এবং লিয়াম লিভিংস্টনের ১১ বলের ১৭ রানের
ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬৬ রান করতে সক্ষম হয় টিম ইংল্যান্ড।
অপরদিকে নিউজল্যান্ডের
ও সেই একি দশা হয় পাওয়ার প্লে তে। প্রথম ওভারেই হারাতে হয় মার্টিন গাপটিলকে। তারপরেই
আবার ২য় ধাক্কা আসে তাদের দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান কেন উইলিয়ামসনের উইকেট
পতনে।
এভাবেই হাটি
হাটি করে তাদের ইনিংস চালিয়ে যাচ্ছিল ওপেনিং ব্যাটসম্যান ডাইরিল মিচেল ও নাম্বার ৪
এ খেলতে আসা ডেভিড কনওয়ে।
এক পর্যায়ে
কনওয়ে ও ফিলিপসকেও ধরতে হয় প্যাভিলিওনের পথ।
তবে তখনো
ক্রিজের এক পাশ আগলে রাখছিলো ডাইরিল মিচেল। ব্যাটিংয়ে আসেন জিমি নিসাম।
শেষ চার ওভারে
যখন রান লাগে ৫৯ ঠিক তখনই শুরু হয় নিসাম ও মিচেল ঝড়।
১৭ তম ওভারে
ক্রিস জর্ডানের ১ ওভারে নেয় ২২ রান। ১৮ তম ওভারে আদিল রশিদ বল করতে আসলেও ডাইরিল মিচেলের
২ ছক্কা সহ ১৭ রান আসে সেই ওভার থেকে কিন্তু আদিল রশিদ তুলে নেয় জিমি নিসামের মহামুল্যবান
উইকেট। সবাই যখন আশ্নংকা করছিলো এবার বুঝি খেলার মোড় ঘুরে যাবে!
কিন্তু না
২ ওভারে যখন ২০ রানের প্রয়োজন তখন ইংল্যান্ড কাপ্তান বলে আনেন ক্রিস ওক্সকে।
ডাইরিল মিচেল
শেষ ওভারে খেলা না যাওয়ার রিস্ক নিয়েই ১৯ তম ওভারে ২ ছয় ও ১ চারের সাহায্যে তুলে নেয়
২০ রান।
সেই সাথে
নিভে যায় ইংল্যান্ডের ফাইনাল খেলার সপ্ন।

0 মন্তব্যসমূহ