পাকিস্তান বনাম মধ্যকার ২য় টেস্টে ৪ তারিখে মিরপুরে মাঠে নামে বাংলাদেশ। কিন্তু আবহাওয়া খারাপ থাকার কারনে প্রথম দিন থেকেই থাকে বৃষ্টি । ২য় ও ৩য় দিনে খেলা মাঠেই গড়ায়নি। ৪র্থ দিনে পাকিস্তান ৪ উইকেট হারিয়ে ৩০০ রান সংগ্রহ করেই ব্যাটিংযে পাঠায় বাংলাদেশকে পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম।

টপ অর্ডারের ব্যর্থতায় এদিন ও বাংলাদেশের অবস্থা ছিলো খুবই শোচনীয়। মাত্র ৭৬ রানেই হারায় ৭ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

ক্রিজে ব্যাটিং এ থাকে সাকিব আল হাসান ও তাইজুল ইসলাম। বাংলাদেশ অন্তত ফলোয়ান এড়ানোর কথা আশা করতেই পারতেন ।কেননা ফলোয়ান  এড়ানোর জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিলো মাত্র ২৬ রান।




কিন্তু তাইজুল ও খালেদের দ্রুত বিদায়ের পর সাকিব কিছুটা বেশামাল হয়ে পড়েন ।

শেষ বলে সিঙ্গাল নেওয়ার তাগিতে সাজিদ খানের বলে শেষ পর্যন্ত সাকিবকেও বিদায় নিতে হয় ফলোয়ানের ভাড় মাথায় নিয়ে।

মাত্র ৮৭ রানে এভাবেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। আর পাকিস্তানের সাজিদ খান তুলে নেন একাই ৮ উইকেট ।

২য় ইনিংসে ব্যাটিং করতে নেমে আবার বাংলাদেশের সেই বেহাল দশা। মাত্র ২৫ রানেই হারায় টপ অর্ডারের ৪ উইকেট ।

এরপর লিটন-মুসির পার্টনারশীপ কিছুটা আশা দেখালেও ৭৩ রানের পার্টনারশীপ ভেঙ্গে যায়।

এভাবেই আশা দেখাতে দেখাতে শেষ পর্যন্ত হতাশই হতে হয়েছে বাংলাদেশি সমর্থকদের ।

মাত্র ৪ সেশনে ২ বার আউট হয়ে নিশ্চিত ড্র ম্যাচটাও হারলো বাংলাদেশ।

অনেকেই বাংলাদেশের টেস্ট মর্যাদা নিয়ে তুলছে প্রশ্ন।