চলতি মৌসুমের বিপিএলে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের অধিনায়ক করা হইছিলো জাতীয় দলের এই অলরাউন্ডারকে।

এমনিতেই তারুণ্য নির্ভর একটি দল গঠন করেছে চট্টগ্রাম। যে দলে জাতীয় দলের কোনো সিনিয়র প্লেয়ারকে রাখেনি চট্টগ্রাম। সবকিছু ঠিক ঠাকই ছিলো চট্টগ্রামের কো পল নিক্সন থাকা পর্যন্ত ।

নিজেদের ৪র্থ ম্যাচে ২ ম্যাচ জিত ও ২ ম্যাচ হারে বেশ একটা ভালো পজিশনেই ছিলো বলা যেতে পারে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।

মেহেদি হাসান মিরাজ ও ভালোই করছিলো। কিন্তু বিপদ বাধে প্রধান কোচ পল নিক্সন দলে ছেড়ে চলে গেলে।

নিজেদের ৫ম ম্যাচকে সামনে রেখে মাত্র ৩ ঘন্টা আগে মিরাজকে জানানো হয় তিনি আর কাপ্তান থাকছেন না।৫ম ম্যাচে অধিনায়ক করা হয় বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক প্লেয়ার নাইম ইসলামকে।

এ নিয়ে বিপত্তি বেধেছে মেহেদি হাসান মিরাজের সাথে দলটির সিইও ইয়াসিরের সাথে। ইয়াসিরকে মিরাজ এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তাকে বলা হয় কোচ নিক্সনই তাকে অধিনায়ক থেকে সরানোর কথা বলেছেন।

যেখানে পল নিক্সন জানিয়েছেন মেহেদি হাসান মিরাজের সাথে তার সম্পর্ক খুবই ভালো।

তিনি এ বিষয়ে কোনো নির্দেশ দেননি।

এ নিয়ে মিরাজ দল ছেড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। প্রথমে মায়ের অসুস্থতার কথা বললেও পরবর্তীতে স্বিকার করেছেন  আসল ব্যপার।

বিপিএলের চলতি আসরে এমন ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন দেশের সাবেক ক্রিকেটার ও ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ। তারা বলেন টিম ম্যানেজম্যান্টের এমন আচরণে যেমন মিরাজের ব্যক্তিগত পার্ফম্যান্সে প্রভাব ফেলতে পারে তেমনি অন্যদিকে দেশের ক্রিকেটের ভাবমুর্তি নষ্ট হয়েছে বিদেশি কোচের উপর দোষ চাপিয়ে দিয়ে।

আর তাছাড়া ব্যপারটি মিরাজের মত বর্তমানে জাতীয় দলের প্লেয়ারের জন্য অপমানজনক।

ফ্র্যাঞ্চাইজির এমন আচরণে অপেশাদারিত্বের আচরন ফুটে উঠেছে। তাই ক্রিকেট পাড়ায় চলছে নানারকম সমালোচনা।